ট্রেড লাইসেন্স কি এবং ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করা সহ সব কিছু

আপনি ব্যবসা করবেন কিন্তুু আপনার ট্রেড লাইসেন্স থাকবে না, এটা কি হয় বলুন? ব্যবসা করতে গেলে আপনার ব্যবসার বৈধতা নেওয়ার জন্য প্রথম যে রাষ্ট্রীয় কাজ করতে হয় সেটি হল ট্রেড লাইসেন্স, আজ আমরা ট্রেড লাইসেন্স এর যাবতীয় কিছু জেনে নিবো এই পোস্ট এর মাধ্যমে। খুব মনযোগ সহকারে পড়ুন, ট্রেড লাইসেন্স সমপর্কে জানুন এবং আপনি যে কোন ব্যবসা করলে আগেই একটি ট্রেড লাইসেন্স করুন।

ট্রেড লাইসেন্স কি?

ট্রেড লাইসেন্স এর মূল অর্থ হলো ট্রেড Trade মানে ব্যবসা আর লাইসেন্স License এর মানে হল অনুমতিপত্র। তাহলে ট্রেড লাইসেন্স Trade License এর মূল অর্থ হল ব্যবসার অনুমতিপত্র। এই ট্রেড লাইসেন্স গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ (City Corporation Taxation Rules, 1983) এর অধিনে ইস্যু করে থাকে। আপনি যখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করবেন এবং তা যদি ইস্যু হয়। তাহলে অবশ্যই প্রমানিত হয় যে আপনার ব্যবসা বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈধ। এই ট্রেড লাইসেন্স Trade License উদ্দ্যোক্তাদের আবেদনের উপর ও বিভিন্ন ব্যবসার ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ( সিটি কর্পারেশন আইন ২০০৯) এর আওতায় ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করে থাকে।

কেন ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন

সিটি কর্পারেশনের কর বিধান ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম ট্রেড লাইসেন্সের আবির্ভাব ঘটে। ১৯৮৩ সালের আগে ব্যবসা বানিজ্য করতে গেলে কোন রকম ট্রেড লাইসেন্সের দরকার হত না। কিন্তুু ১৯৮৩ সালের পর কর বিধিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক বৈধ ব্যবসায়ির জন্য ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়। বর্তমানে অনেক উদ্যোক্তা ও নতুন উদ্দ্যোক্তারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই তাদের নিজ নিজ ব্যবসা পরিচালনা করতেছে। আসলে এটা একদমেই ঠিক নয়। এভাবে যেমন আপনি রাষ্ট্রকে ফাঁকি দিচ্ছেন, ঠিক তার বিপরীতে আপনি নিজেকে ও নিজের ব্যবসাকে বেশি করে ফাঁকি দিচ্ছেন। যা সমপূর্ণ আইন বিরোধী ও অবৈধ । এছাড়া অনেক উদ্দ্যোক্তাদের জানা নেই যে_ ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ একটি রাষ্ট্রীয় ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স।

ট্রেড লাইসেন্স এর ধরন

ট্রেড লাইসেন্স এর ধরন হয় আপনার ব্যবসা অনুযায়ী। স্থানীয় সরকারের সিটি কর্পোরেশন আইন-২০০৯ এর ৮৪ ধারার ক্ষমতাবলে ২০১৬ সালের ৩১ শে জানুয়ারির গেজেট অনুযায়ী ব্যবসায়িদের ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য ২৯৯ টি ফি প্রযোজ্য রয়েছে। তাই অবশ্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স করার সময় আপনার ব্যবসার ধরন ও আপনার ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স বৈধ কিনা তা যাচাই করে দেখতে হবে এবং প্রত্যেকটি ব্যবসার জন্য আলাদা আলাদা ধরন ও লাইসেন্স ফি দিতে হবে।

কোথায় থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়

আপনি কোথায় থেকে ট্রেড লাইসেন্স করবেন সেটি অবশ্যই স্থানের উপর নির্ভর করে ঠিক আপনি যে স্থানে ব্যবসা পরিচালনা করবেন। সাধারনত ৩ টি জায়গা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়-
• ইউনিয়ন পরিষদ।
• পৌরসভা।
• সিটি কর্পোরেশন।
আপনার ব্যবসা যদি হয় কোন ইউনিয়নের মধ্যে তাহলে আপনাকে ঐ ইউনিয়ন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। আর যদি আপনার ব্যবসা হয়ে থাকে কোন সিটি কর্পারেশনের মধ্যে তাহলে আপনাকে সেই সেটি কর্পারেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স ফি

আপনি যখন আপনার ব্যবসার জন্য যে কোন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় ট্রেড লাইসেন্স করতে যাবেন। তখন আপনাকে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য বাৎসরিক ফি প্রদান করতে হবে। এই ফি স্থানীয় সরকারের পৌর শাখা- ১ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন রকম ফি নির্ধারন করা হয়। আপনি আগে আপনার ব্যবসার ধরন বলুন তারপর আপনার ট্রেড লাইসেন্স  ফি জেনে নিন। সাধারনত ইউনিয়ন পরিষদ হতে সিটি কর্পোরেশনে ৫০০ টাকা থেকে ৬৫০০ টাকা পর্যন্ত ফি বলবৎ আছে। এর সাথে ২৫% ভ্যাট অবশ্যই যোগ করতে হবে।

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করা হয়

আপনি যখন আপনার ব্যবসা পরিচলনা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে যাবেন। তখন আপনাকে সংশ্লিষ্ট পৌর থেকে একটি আবেদন ফর্ম পূরন করে তা জমা দিতে হবে। যেহেতু উদ্যোক্তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রেড লাইসেন্স আপনাকে দেওয়া হবে তাই আপনাকে আবেদন ফর্মের সাথে ব্যবসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। ফর্মের সাথে কাজগ পত্রগুলো আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী হতে হবে। নিম্নে কিছু তালিকা দেওয়া হল :

সাধারন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য

আপনি যদি সাধারন কোন ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করেন তাহলে আবেদন ফর্মের সাথে আপনাকে যেসকল কাগজ জমা দিতে হবে :
• দোকান ভাড়ার চুক্তির সত্যায়িত ফটোকপি। আর যদি আপনার নিজের দোকান হয় তাহলে উইটিলিটি বিল ও হালনাগাদ ট্রেক্স এর ক্লিক ফটোকপি।
• আপনার সাধারন ব্যবসা যদি যৌথ হয় তাহলে আপনাকে ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার নন- জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এ পার্টনারশিপের চুক্তিনামা/শর্তাবলী সহ জমা দিতে হবে।
• আবেদনকারীর সদ্য সময়ে তোলা ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজ এর ছবি সহ উপরের সব কাগজ জমা দিতে হবে।

ফ্যাক্টরি বা কারখানার ট্রেড লাইসেন্স

আপনি যদি ফ্যাক্টরি বা কারখানার জন্য ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করেন তাহলে আপনাকে নিম্নের সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে
• প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি বা কারখানার পার্শবর্তী অবস্থান ও স্থাবরের বিবরণ সহ নকশা দিতে হবে। সেই সাথে তার সকল লোকেশন দিতে হবে।
• প্রস্তাবিত ফ্যক্টরি বা কারখানার পার্শবর্তী অবস্থান ও স্থবরের সকল মালিকের অনাপত্তিনামা জমা দিতে হবে।
• ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার জুডিশিয়াল স্টাম্প এ ঢাকা সিটি কর্পারেশনের নিময়-কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা সাক্ষর করে জমা দিতে হবে।
• পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড় পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
• ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্রের কপি জমা দিতে হবে।

সিএনজি স্টেশন ও দাহ্য পদার্থ ব্যবসার জন্য

আপনি যদি কোন সিএনজি স্টেশন বা দাহ্য পদার্থের ব্যবসা পরিচলনা করতে চান তাহলে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদনের সাথে এই সকল কাগজ জমা দিতে হবে:
• বিস্ফোরক অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।
• ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র।
• পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।

প্রিন্টিং প্রেস ও আবাসিক হোটেল এর জন্য

আপনি যদি কোন প্রিন্টিং প্রেস ও আবাসিক হোটেল এর ব্যবসা চালু করার সিদ্ধান্ত নিতে চান তাহলে আপনাকে সেই ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স ফর্ম এর সাথে জমা দিতে হবে :
• জেলা ডেপুটি কমিশনারের অনুমতিপত্র।
• আপনার সকল তথ্য।

অস্ত্র ও গোলাবারুদ এর জন্য

আপনি যদি অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স ফর্ম এর সাথে জমা দিতে হবে:
• অস্ত্রের লাইসেন্স।

ঔষধ ও মাদক দ্রব্যের জন্য

আপনি যদি কোন ডিসপেনসারি বা ঔষধ কিংবা মাদক দ্রব্যের ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন ফর্ম এর সাথে জমা দিতে হবে:
• ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি।

ট্রাভেল এজেন্সি এর জন্য

আপনি যদি কোন ধরনের ট্রাভেল এজেন্সি এর ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। তাহলে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স ফর্ম এর এর সাথে জমা দিতে হবে :
• সিভিল এভিয়েশন কতৃকপক্ষের ছাড়পত্র।

রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য

আপনি যদি রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করতে চান তাহলে ফর্মের সাথে আপনাকে জমা দিতে হবে :
• মানব সম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কতৃক প্রদত্ত লাইসেন্স।

ক্লিনিক ও প্রাইভেট হাসপাতালের জন্য

আপনি যদি কোন ধরনের ক্লিনিক কিংবা প্রাইভেট হসপিটাল দিতে চান তাহলে তার জন্য ট্রেড লাইসেন্স ফর্ম এর সাথে আপনাকে জমা দিতে হবে :
• ডিরেক্টর জেনারেল স্বাস্থ্য – কতৃক অনুমতি পত্র।

লিমিটেড কোম্পানির জন্য

আপনি যদি জয়েন্ট স্টক থেকে কোন লিমিডেট কোম্পানী করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার ফর্ম এর সাথে জমা দিতে হবে :
• সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন।
• কোম্পানী মেমোরেন্ডাম অফ আর্টিকেল।

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

প্রত্যেক ব্যবসায়িকে প্রতিবছর পর পর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা মানে আপনার ব্যবসাকে আইনগত বৈধতাকে নিশ্চিত করা। আপনি যদি সঠিক সময়ে আপনার ব্যবসার বীগত বছরের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করেন তাহলে আপনি আইনগত সমস্যার সম্মুখী হবেন। তাই আপনাকে সঠিক সময়ে ট্রড লাইসেন্স নবায়ন করা প্রয়োজন। আপনি যখন আপনার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে যাবেন তখন অবশ্যই সাথে গত ট্রেড লাইসেন্স বহি নিয়ে যাবেন। ইউনিয়ন পরিষদ হলে আপনি ইউনিয়নে নবায়নের টাকা পরিশোধ করে নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহন করবেন। আর যদি পৌরসভা কিংবা সিটি কর্পোরেশনের আওতায় হয় তাহলে আপনাকে সোনালী ব্যাংক এর মাধ্যমে ফি জমা দিয়ে নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহন করতে হবে । ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে সময় লাগবে মাত্র ১ দিন।

কারা ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন?

ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য নিদৃষ্ট কোন আইন নেই যে নারীরা নাকি পুরুষেরা ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করতে পারবেন। তাই আপনি নারী হোন কিংবা পুরুষ হোন যদি আপনি ব্যবসা করার আগ্রহ করে থাকেন তাহলে আপনি ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন । তবে অবশ্যই আপনাকে ১৮ বছরের উপরে বয়স থাকতে হবে।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাঠিক ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারবে?

একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি বা সেই উদ্দ্যোক্তা ব্যবহার করতে পারবেন যার নামে নিবন্ধন করা হয়েছে। মোটকথা আপনি যখন যে ব্যক্তির সকল কাগজপত্র দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করে ইস্যু করেছেন শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি সেই ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। ট্রেড লাইসেন্স বিক্রি বা মালিকানা চেন্স করার কোন নীতিমালা এখনও আসেনি।

একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যবসায় ব্যবহার করা যাবে?

একটি ট্রেড লাইসেন্স একাধিক ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। আপনি যে ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করে ইস্যু করেছেন। ঠিক সেই ব্যবসার জন্য সব জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। তবে জয়েন্ট স্টক থেকে করলে তাদের নীতিমালা অনুযায়ী করতে পারেন।

একজন ব্যক্তি কতটি ট্রেড লাইসেন্স করতে পারে?

একজন ব্যক্তি কতটি পর্যন্ত ট্রেড লাইসেন্স করতে পারে তার কোন নিদৃষ্ট নীতিমালা নেই। তবে আপনি যদি ব্যবসার ধরন বিভিন্ন রকম থাকে তাহলে আপনি প্রত্যেক ব্যবসার জন্য একাধিক ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন।

ট্রেড লাইসেন্স হয়ে গেলে আপনি আপনার ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। এরপর আপনার অবশ্যই যে কাজটি প্রয়োজন তা হল ট্রেড মার্ক করা। আপনি আপনার ব্যবসা সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য ট্রেডমার্ক এর ভূমিকা অনেক বেশি থাকে। আপনি ব্যবসা করুন রাষ্ট্রিয় আইন অনুযায়ী যাতে করে আপনি কখনও আইনের আওতায় না আসতে পারেন।

পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন

2 thoughts on “ট্রেড লাইসেন্স কি এবং ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করা সহ সব কিছু”

  1. বাইক রেন্ট এর জন্যে ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করতে হবে? প্রসেস টা দয়া করে বলুন

    Reply
    • আপনি যে কোন ব্যবসার জন্য ঠিক ৩ জায়গায় যেতে পারবেন
      ০১. সিটি কর্পারেশন।
      ০২. পৌরসভা।
      ০৩. ইউনিয়ন পরিষদ।

      ইমতিয়াজ ভাই, আপনি ব্যবসাটি কোথায় করবেন এবং সেই এলাকা কিসের উপর পড়েছে সেটি আগে দেখুন। এরপর আপনি যে কোন ইউপি, সিটি, পৌরসভায় চলে গিয়ে বিস্তারিত বলুন। তারা আপনাকে সকল প্রসেস বলে দিবে।। আপনাকে ধন্যবাদ। ♥

      Reply

Leave a Comment