১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় ব্যবসা এর লাভজনক ২০ টি আইডিয়া

ধরুন আপনার কাছে কিছু পূঁজি আছে । আপনি চাচ্ছেন ১ লাখ টাকায় ব্যবসা করতে। ১ লাখ টাকার ব্যবসা কি কি তা আপনার মাথায় আসছে না। অসুবিধে নেই, আপনি এখান থেকে আইডিয়া নিয়ে করতে পারেন ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে ব্যবসা। কিন্তুু তার আগে আপনাকে কিছু নিয়ম মানতে হবে। আপনি কোন ব্যবসা করবেন তার পরিকল্পনা করবেন এছাড়া আপনি কোন কাজটি করতে পছন্দ করেন তার উপর নির্ভর করেই ব্যবসা শুরু করবেন। সখ থেকে ব্যবসা করাটা যেমন মজার তার থেকে মজার বিষয হল আপনি আপনার সাফল্যের কথা অন্য কাউকে শেয়ার করা। চলুন আপনাকে ২০ টি ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার ব্যবসার আইডিয়া দিচ্ছি।


মোবাইল লোড এর ব্যবসা

আপনি যদি মনে করেন আপনার পূঁজি কম তাহলে আপনার পূঁজির সাধ্যমত ব্যবসা খুজতে পারেন। এর জন্য ফেক্সিলোড এর ব্যবসা বেচে নিতে পারেন। এটি ফোন ও সিম আর টেবিল নিয়ে যে কোন যায়গায় বসতে পারেন। বাকিগুলো আপার কোম্পানি দেখবে। তো শুরু করুন আজ থেকে।

বিকাশ, রকেট ও নগদ এর এজেন্ট ব্যবসা

আপনি ২য় ব্যবসাটি করতে পারেন সেই টেলিকম কোম্পানির মাধ্যমেই। আপনার মোটামোটি ১ লাখ টাকা হলেই বিকাশ রকেট ও নগদের এজেন্ট নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে বিকাশ রকেট ও নগদ এ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে। চেয়ার টেবিল দিয়েও এই ব্যবসা করতে পারবেন।

অনলাইন ই-টিকেট এর ব্যবসা

আপনি অনলাইনে ই-টিকেট বিক্রি কার ব্যবসা করতে পারেন। ই-টিকেট এর ব্যবসা বর্তমানে একটি লাভজনক ব্যবসা। বিমান, বাস, ট্রেনের টিকেট বিক্রি করে আয় করতে পারেন।

লন্ড্রি ও ( ওয়াশ, আয়রন সার্ভিস) এর ব্যবসা

আপনি করতে পারেন লন্ড্রি ব্যবসার দোকান। আপনি প্রথমে একটি জায়গা নির্ধারন করুন। এর জন্য আপনাকে লন্ড্রি ও ওয়াশ মেশিন কিনতে হবে। আপনি এমনভাবে মার্কেটিং তৈরি করুন। যেখানে আপনি বাসা থেকে কাপড় সংগ্রহ করে ওয়াশ ও লন্ড্রি করে বাসায় ডেলিভেরি দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। দেখবেন অনেক সফলতা পেয়ে যাচ্ছেন।

কার ও বাইক ওয়াশ

আপনি কার ও বাইক ওয়াশ সেন্টার দিতে পারেন। আপনি বাজারে শেষ প্রান্তে এই সেন্টার দিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে দোকান নিতে হবে। সব থেকে ভাল হয় আপনি যদি কোন অটোমোবাইল এর দোকান বা ওয়ার্কশপ এরিয়ার পাশে নেন তাহলে খুব ভাল হবে। প্রতিনিন আপনি অনেক কাস্টমার পাবেন।

টি স্টল

আপনি চা স্টলের দোকান দিতে পারেন। টি স্টলে আপনার অনেক গ্রাহক পাবেন। এর জন্য আপনাকে ছোট্ট একটি টেবিল ও টুল নিয়ে বসলেও পারবেন। টি স্টলে আপনি আরো কিছু বিক্রি করতে পারেন তা হল পান, বিড়ি, সিগারেট ও গুল। দোকানের জন্য সবসময় জনসমাগম বেশি হচ্ছে অথবা যে কোন স্টান্ড এ দিবেন এতে করে রানিং নগদ টাকার কাস্টমার পেয়ে যাবেন।

দুধ বিক্রি করে আয়

আপনি যে কোন জায়গায় দুধ বিক্রি করতে পারবেন না। তাই আপনাকে ভাল পরিপাটি করে সুন্দর গুনগতমান সহকারে একটি এগ্রো বুথ দিতে পারেন। এর জন্য আপনি খুব সুন্দর একটি জায়গা বেচে নিতে পারেন যেসব জায়গায় সহজেই কাস্টমার আপনার কাছে আসা যাওয়া করতে পারে। এছাড়া আপনি লোকবলের মাধ্যমে বাসায় বানায় দুধ হোম ডেলিভেরি দিতে পারেন

এপ্যার্টমেন্ট ভবনের গার্বেজ কালেকশন

আপনি এই ব্যবসাটি সব থেকে রাজধানী শহর ঢাকাতে করলে ভাল হয়। ঢাকা শহরের (অন্যান্য বড় শহরেরও) এপার্টমেন্টভবনগুলো থেকে সিস্টেম্যাটিক পদ্ধতিতে গার্বেজ সংগ্রহ করে তা ডিসপোজালের ব্যবস্থা করা যায়। এলিফেন্ট রোডের একটি এরকম এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স বাসে প্রায় ৮০০০ টাকা এই খাতে খরচ করে। গার্বেজ কালেকশন এবং ডিসপোজাল হবে এই উদ্যোগের মূল কাজ। তবে ভবিষ্যতে এটিকে আরো সম্প্রসারিত করে রিসাইক্লিং-এর ব্যবসাও করা যেতে পারে।

ফটোকপি ও ফটোশপ ব্যবসা

আপনি ১ লক্ষ টাকার মধ্যে এই ব্যবসাটি খুব সুন্দর করে করতে পারেন। এরজন্য আপনাকে দরকার হবে একটি কম্পিডিটার ও ফটোকপি মেশিন। আপনি এই ব্যবসা করতে গেলে যে কোন সরকারি অফিসের পাশে করলে ভাল হয়। কারন সেখানে আপনি বহু কাস্টমার পাবেন। সেই সাথে ফটোকপিতে যুক্ত করবেন ফটোশপ। এর জন্য আপনাকে ফটোশপ এ পারদর্শী হতে হবে।


ট্যুরিজম অনলাইন ব্যবসা

আপনি অনলাইনে পারদর্শী হলে ট্যুরিজম ও ট্যুর ব্যবসা করতে পারেন। বর্তমানে এই ব্যবসাটি ব্যপকহারে চলছে। এর জন্য আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আর আপনাকে দেশের সকল লোকেশনের সব তথ্য জানতে হবে। আপনার কাস্টমার হবে সারা বিশ্বের অনেক ভ্রমণ পিপাষুরারা।

কম্যুনিটি সার্ভিসের ব্যবসা

(বাসার বেকার ছেলেদদের যা যা কাজ থাকে :D): বাচ্চাদের স্কুল ঠিক করা, বাসার কাপড় আয়রন+ওয়াশ, ময়লা ব্যবস্থাপনা, বুয়া ম্যানেজমেন্ট, বাজার করা, যেকোন কিছু রিপায়ার, বাসা চেঞ্জ প্রভৃতি কাজে সহায়তা করা: এক একটা বাসা, এক একটা ক্লায়েন্ট-  মাসে ৫০০ টাকা করে পাওয়া গেলে ২ জন মানুষ ৫০/৬০ তা বাসা সহজেই ম্যানেজ করতে পারবে. ফ্লাটগুলো এক বিল্ডিং-এ বা পাশাপাশি হওয়ায় ২৫/৩০ হাজার টাকা আয় করা খুব কঠিন না. মানুষের কাছে সুনাম ধরে রাখার জন্য শক্ত ম্যানেজমেন্ট দরকার-বিশ্বাসী ও হতে হবে।

ডে কেয়ার ব্যবসা

বর্তমান সয়মে আপনি একটি ডে কেয়ার সেন্টার খুলে বসতে পারেন। অবশ্যই বুঝতে পারছেন ডে কেয়ার এ কোন কোন বাচ্ছারা থাকে। অবশ্যই যেসব বাচ্ছাদের বাবা মা উভয়েই চাকুরীজীবী তারা তাদের বাচ্ছাদের ডে কেয়ার এ রাখবে। যদি আপনার ডে কেয়ার সেন্টারটি অনেক ভাল হয় ও একসাথে অনেক বাচ্ছা রাখারমত গুনগমমা সম্পন্ন হয়।

গিফট আইটেম এর ব্যবসা

আপনি গিফ্ট আইটেম এর ব্যবসা করতে পারেন অনায়েসে। কারন বাংলাদেশে গিফ্ট এর চাহিদা অনেক। আপনি পুতুল, ব্যাগ, ঘড়ি, মানিব্যাগ সহ নিত্য নতুন ছোটদের গিফ্ট আইটেম নিয়ে মাঠে নামতে পারেন। পরে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করেবেন আরও সম্প্রসারণ করার।

মোমবাতির ব্যবসা

আপনি মোমবাতি তৈরি কারার কারখানা দিতে পারেন। মোমবাতি তৈরি করতে আপনাকে বেশি টাকা লাগবে না। প্রথম অবস্থায় ১ লক্ষ টাকা দিয়ে মেশিন কেনা সহ সব কিছু করে মোমবাতি তৈরি শুরু করতে পারেন। এর পর বাজারজাত করে আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন।

ইন্টেরিয়র ডিজাইন এন্ড কন্সট্রাকশন ব্যবসা

আপনি এই ব্যাবসাটি করতে গেলে আপনাকে অনেক টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। তাই আমি আপনাকে ইন্টেরিয়র ডিজাইন এন্ড কন্সট্রাকশন এর ব্যবসা করতে বলছি না। আপনাকে একটা ছোট খাট ফার্ম তৈরি করতে পারছি। যেখানে আপনার মেধা হবে সব হাতিয়ার। তাই আপনি এটি করলে একটি অফিস খুলে বসুন। আপনার কাস্টমারদের সেবা দিন কন্সট্রাকশন এর বিল্ডিং ডিজাইন, রং, টাইলস এর ধারনা, কোন রঙ এসাথে কোন টাইলস মানাবে, দরজা জানালার পর্দা, সোফার ডিজাইন কেমন, গার্ডেন এর ডিজাইন কেমন ছাড়া ইত্যাদি ইতাদি। আপনি এখান থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

হাতঘড়ি তৈরির ব্যবসা

আপনি হাতঘড়ি তৈরির কারখানা দিতে পারেন। কারন হাতঘরির চাহিদা অনেক দেশে। সৌখিনতা হোক কিংবা এর জন্য চায়না থেকে পার্টস কিনে এনে আপনি ঘরির কারখানা দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন।

ফলের রসের ব্যবসা

আপনি বিভিন্নরকম ফলের রস তৈরি করতে পারেন। যেমন আঁখের রস তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করতে পারেন। প্রচন্ড গরমে কার না পছন্দ বলুন। এছাড়া আপনি লেবু ও জাম্বুরার রসের ব্যবসা করতে পারেন।

আচারের ব্যবসা

জিভে জ্বল এসে গেল, বুঝতেই পাচ্ছেন আচার খাওয়ার জন্য মানুষের মুখ কতটা আগ্রহ করে থাকে। আপনি বিভিন্ন রকম ফলের আচার ( চাটনি) বাসায় বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। আপনি বয়ামে ভরিয়ে অনলাইনে মার্কেটিং করে সারাদেশে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া আশেপাশে হোম ডেলিভেরি দিয়েও বিক্রি করতে পারেন।

সয়া মিল্ক প্রস্তুত ব্যবসা

সয়া মিল্ক প্রস্তুত করে বাজারজাত করা হতে পারেন। এটা হতে পারে চাকরির একটি বিকল্প উৎস। সয়া মিল্ক ঘরে বা মেশিন দিয়া প্রস্তুত করে বাসায় বাসায় হোম ডেলিভেরির মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন। সয়া মিল্ক তৈরি করার প্রস্তুত প্রণালি খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে এই মিল্ক বানান যায়। এই মিল্ক স্বাস্থ্যসম্মত এবং দুধের যে গন্ধ হয় তা থেকে মুক্ত। যদি লোকাল পর্যায়ে ভালো ব্যবসা করা যায় তাহলে পরবর্তীতে বড় ফ্যাক্টরি বানায়ে, মড়োকজাত করে national এবং international পর্যায়ে ব্যবসা করা যেতে পারে।

আইটি ব্যবসা

আপনি ১ লক্ষ টাকার মধ্যে অনেক ধরেনের আইটি সেবার ব্যবসা করতে পারেন। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে আপনি কোনটাতে বেশি পারদর্শী সেটি দেখে এই আইটি ব্যবসা করতে পারেন। বর্তমানে আইটি ব্যবসা সমপূর্ণ হাতের কাজের উপর নির্ভর করে। তাই আপনি নেবে যেতে পারেন।

ডমেইন ব্যবসা

আপনি ডমেইন এর ব্যবসা করতে পারেন। আপনি মার্কেট এ এমন কিছু ডমেইন কিনুন যেগুলো ডমেইনের নিসের চাকিদা খুব। আপনি সেইসব ডমেইন কিনে মার্কেটিং করে বিক্রি করুন। বছরে একটি ডমেইনও যদি সেল দিতে পারেন তাহলে আপনার ছোট করে হলেও ৫ বছর বসে খেতে পারবেন। এছাড়া সাথে অন্যদের ডমেইন কিনে দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির লাভের সাথে কাস্টমারের কাছেও লাভ করে নিন।

হোস্টিং ব্যবসা

আপনি অনায়েসে হোস্টিং ব্যবসা করতে পারেন। এরজন্য আপনি কোন ভাল স্পেসের রিসেলার নিয়ে তা শেয়ার আকারে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া আপনি একদম প্রফেশনাল হোস্টিং ব্যবসা করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে হোস্টিং এর সকল বিষয় জানতে হবে ও আইটি বিষয়ে, সার্ভার বিষয়ে বেশ জ্ঞান রাখতে হবে। এছাড়া কাস্টমারদের জন্য সাপোর্ট প্রদান করার মনমানুষিকতা রাখতে হবে।

ওয়েব সাইট ডিজাইন

আপনি অনেকটা ফার্ম এর মত করতে পারেন। আপনি কম্পিউটারে বসুন ও কোডিং শিখুন। পরে আপনি সব বিষয়ে পারদর্শিতা হলে ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন। এরজন্য আপনাকে ব্যপকভাবে HTML, Css, ওয়ার্ডপ্রেসস, পাইথন, জুমলা, ম্যাগেন্ডা জানতে হবে। এর মাধ্যমেই আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে। মার্কেটপ্লেস এ ওয়েবডিজাইন এর কাজ অনেক পাবেন। সাথে যদি SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখে নেন তাহলে আপনি লাকি।

চাউলের ব্যবসা

আপনি আপনার পাড়ায় চাউলের ব্যবসা করতে পারেন। এর জন্য দরকার হবে একটি দোকান ও ব্যবসা করার মনমানুষীকতা থাকে,তাহলে আপনি যারা ধানের ব্যবসা অথবা ধানের স্টকলট এর ব্যবসা করে তাদের থেকে চাউল কিনে এনে বিক্রি করতে পারেন। প্রতিদিনেই আমাদের ৩ বেলা করে চালের দরকার হয়।

মুদিমালের ব্যবসা

আপনি এই ব্যবসাটি করতে পারেন অনায়েসে। তবে সব শেষের সিরিয়ালে এই ব্যবসাটিকে কেন রেখেছি তা আপনি বুঝে নিয়েন। মুদিমাল বা ভূষি মালের দোকান যাই বলুন না কেন। আপনাকে এই ব্যবসা করতে গেলে প্রথম শর্ত হচ্ছে ‘বাকি দেওয়া নিষেধ’ তাহলে আপনি এই মুদিমালের দোকান করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তাহলে আপনাকে ১ বছরের মধ্যে গোটাতে হবে। হেসে লাভ নেই বড় ভাই, আপনাকে উপরের সব ব্যবসায় বাকি বন্ধ করতে হবে। কথায় আছে ‘নগদ বিক্রি পেটে ভাত, বাকি দিলে মাথায় হাত’

উপরের সব ব্যবসা ছাড়া রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা করার আইডিয়া। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন আর উত্তর খোজার চেষ্টা করুন কোন ব্যবসাটি করতে পারবেন। নেমে পড়তে পারেন এখনেই, ব্যবসা করছেন যে কোন এতে লজ্জা পাওয়ার কোন কারন নেই।

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এই দলিল সবার জন্য উন্মুক্ত এবং জিএফডিএল লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত। যাদের আইডিয়া চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় আছে বা যারা প্রাপাইটরি আইডিয়া নিয়ে থাকেন তাদের জন্য এই ডকুমেন্ট সম্ভবত যথোপযুক্ত নয়। নিজের বুদ্ধি বিবেচনা শাথায় রেখে এটিতে যুক্ত হতে হবে। বেশি বুঝতে পারলে কোন অসুবিধা নয়। আর আমার জ্ঞান যে আপনার থেকে বেশি তাও কিন্তুু নয়। আমার মনের কথা আমি লিখেছি। আর আপনার মনের কথা হচ্ছে আপনার। তাই আপনি যেগুলো ভাল হয় সেগুলো করতে পারেন। ধন্যবাদ

পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Comment